Monday, September 8, 2014
ইবোলা ভাইরাস বর্তমানে বিশ্বসাস্থের এক জরুরী অবস্থার নাম..... এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তঃ ১৮৪৮ জন এবং মোট মারা গিয়েছেন: ১০১৩ জন।
এই ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য.....
রোগের লক্ষন ও উপসর্গঃ
জ্বর, মাথা ব্যাথা, পেশী ও জয়েন্টে ব্যাথা , দুর্বলতা, ডায়রিয়া, বমি, পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, শরীরে রক্তপাত জাতীয় দাগ বা ফসুকুড়ি
কিছু কিছু ক্ষেত্রেঃ কাশি, গলা ও বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, খাবার গিলতে অসুবিধা, শরীরের ভেতরে ও বাইরে রক্তপাত
রোগের কোর্সঃ
প্রথম দিকে রোগী জ্বর, গলবিলে প্রদাহ, এবং গুরুতর লক্ষণ ও উপসর্গ থাকতে পারে। ফুসকুড়ি জাতীয় দাগ কালো চামড়া চেয়ে সাদা চামড়ায় সহজে দেখা যায়, বিশেষ করে সংক্রমণের ৫ম দিনে।
পরবর্তীতে দেহের বিভিন্ন অংশে রক্তপাত, হৃদপেশীর প্রদাহ এবং ফুসফুসের শোথ রোগ হতে পারে। অসুস্থ রোগীদের প্রায়ই দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, নিম্ন রক্তচাপ, প্রসাব না হয়ার, সমস্যা দেখা যায় এবং তাদের কোমা বা মৃত্যু হতে পারে।
এই ভাইরাস মানব দেহে ৩ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত সুপ্ত থাকতে পারে। তারপর হঠাত পেশীতে ব্যাথা, জয়েন্টে ব্যাথা, জ্বর, ক্ষুধামন্দা শুরু হবে। এরপর পেটে ব্যাথা, বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়া হতে পারে। পরে চোখে প্রদাহ, খাদ্যনালীর ভিতরে প্রদাহ ও রক্তপাত হতে পারে।
প্রতিরোধঃ
রোগ সনাক্ত হলে ওই এলাকায় যে কোন মাংস জাতীয় খাবার সাবধানে খেতে হবে এবং আশেপাশের অবস্থানকারীদের গ্লাভস, মাস্ক, পৃথক এপ্রন বা নিরাপদ পোশাক পরতে হবে। কোন রোগীকে যথাসম্ভব দ্রুত চিহ্নিত করে আইসলেটেড বা আলাদা করে ফেলতে হবে। তার রোগ সনাক্ত হবার পর স্বাস্থ্যকর্মীদের অবশ্যই মাস্ক, গ্লাভস, গাউন, গগ্লস/চশমা পরতে হবে।
রোগীর ব্যাবহার করা জিনিস বা আশেপাশের সবকিছু পুরোপুরি জিবানুমুক্ত করতে হবে। রোগীর দেহ নিসৃত যে কোন তরল এবং রক্ত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে, এমনকি রোগী মারা গেলেও তার দেহের কোন অংশ সরাসরি স্পর্শ করা যাবে না।
এই ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য.....
রোগের লক্ষন ও উপসর্গঃ
জ্বর, মাথা ব্যাথা, পেশী ও জয়েন্টে ব্যাথা , দুর্বলতা, ডায়রিয়া, বমি, পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, শরীরে রক্তপাত জাতীয় দাগ বা ফসুকুড়ি
কিছু কিছু ক্ষেত্রেঃ কাশি, গলা ও বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, খাবার গিলতে অসুবিধা, শরীরের ভেতরে ও বাইরে রক্তপাত
রোগের কোর্সঃ
প্রথম দিকে রোগী জ্বর, গলবিলে প্রদাহ, এবং গুরুতর লক্ষণ ও উপসর্গ থাকতে পারে। ফুসকুড়ি জাতীয় দাগ কালো চামড়া চেয়ে সাদা চামড়ায় সহজে দেখা যায়, বিশেষ করে সংক্রমণের ৫ম দিনে।
পরবর্তীতে দেহের বিভিন্ন অংশে রক্তপাত, হৃদপেশীর প্রদাহ এবং ফুসফুসের শোথ রোগ হতে পারে। অসুস্থ রোগীদের প্রায়ই দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, নিম্ন রক্তচাপ, প্রসাব না হয়ার, সমস্যা দেখা যায় এবং তাদের কোমা বা মৃত্যু হতে পারে।
এই ভাইরাস মানব দেহে ৩ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত সুপ্ত থাকতে পারে। তারপর হঠাত পেশীতে ব্যাথা, জয়েন্টে ব্যাথা, জ্বর, ক্ষুধামন্দা শুরু হবে। এরপর পেটে ব্যাথা, বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়া হতে পারে। পরে চোখে প্রদাহ, খাদ্যনালীর ভিতরে প্রদাহ ও রক্তপাত হতে পারে।
প্রতিরোধঃ
রোগ সনাক্ত হলে ওই এলাকায় যে কোন মাংস জাতীয় খাবার সাবধানে খেতে হবে এবং আশেপাশের অবস্থানকারীদের গ্লাভস, মাস্ক, পৃথক এপ্রন বা নিরাপদ পোশাক পরতে হবে। কোন রোগীকে যথাসম্ভব দ্রুত চিহ্নিত করে আইসলেটেড বা আলাদা করে ফেলতে হবে। তার রোগ সনাক্ত হবার পর স্বাস্থ্যকর্মীদের অবশ্যই মাস্ক, গ্লাভস, গাউন, গগ্লস/চশমা পরতে হবে।
রোগীর ব্যাবহার করা জিনিস বা আশেপাশের সবকিছু পুরোপুরি জিবানুমুক্ত করতে হবে। রোগীর দেহ নিসৃত যে কোন তরল এবং রক্ত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে, এমনকি রোগী মারা গেলেও তার দেহের কোন অংশ সরাসরি স্পর্শ করা যাবে না।
Subscribe to:
Comments (Atom)






